আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় নেত্রকোণা জেলার ভৌগলিক পরিচিতি, নেত্রকোণা জেলা বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্গত ।
নেত্রকোণা জেলা সর্ম্পকে কিছু তথ্যঃ-নেত্রকোণা জেলার ভৌগলিক পরিচিতি
নেত্রকোণা জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ময়মনসিংহ বিভাগের একটি প্রশাসনিক এলাকা। উপজেলার সংখ্যানুসারে নেত্রকোণা বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণীভুক্ত জেলা। এখানে রয়েছে পাহাড়ি জলপ্রপাত, চীনা মাটির পাহাড়, নদী, খাল, বিল। নেত্রকোণা জেলা ১০টি উপজেলা, ১১টি থানা, ৫টি পৌরসভা, ৮৬টি ইউনিয়ন, ১৯৬৭টি মৌজা, ২২৯৯টি গ্রাম ও ৫টি সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত। এই জেলার উত্তরে উত্তরে ভারতের মেঘালয়, দক্ষিণে কিশোরগঞ্জ জেলা, পূর্বে সুনামগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে ময়মনসিংহ জেলা।
নেত্রকোণা জেলার ভৌগলিক পরিচিতি:-
নেত্রকোণা জেলা ২৪০৩৫’থেকে ২৫০১০’উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০০৩০’থেকে৯১০১৫’পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত। এ জেলার পশ্চিমে ময়মনসিংহ, পূর্বে সুনামগঞ্জ, দক্ষিণে কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহ, উত্তরে ভারতের মেঘালয় রাজ্য অবস্থিত।
নামকরণের ইতিহাসঃ নেত্রকোণা বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার অংশ। এক সময় এটি ময়মনসিংহ জেলার কালিগঞ্জ থানা নামে পরিচিত ছিল। শহর থেকে ৭/৮ কিঃমিঃ উত্তর পশ্চিমে নাটরকোণা নামক স্থানে ইংরেজরা সর্বপ্রথম জরিপ চালায় এবং নাটরকোণাতেই মহকুমা সদর স্থাপিত হয়। ইংরেজদের বিকৃত উচ্চারণের বদৌলতে প্রথম দিকে নাটরকোণা নামটি পরবর্তীতে নেত্রকোণায় রূপান্তরিত হয়। কেউ কেউ মনে করেন শহরের মধ্য দিয়ে প্রবহমান মগরা নদীর বাঁকটি চোখের বাঁকের মত সেজন্য নামাকরণ করা হয়েছে নেত্রকোণা।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যঃ নেত্রকোণা প্রাকৃতিক সৌন্দয্যের লীলাভূমি। দূর্গাপুর উপজেলায় রয়েছে সু-উন্নত গারো পাহাড়। তাছাড়া মগড়া, কংশ,সোমেশ্বরী, ধনু নদী। পাহাড়ের সাথে হাওড় বাওরের অবস্থান প্রকৃতিতে বিরল। এ বিরল সৌন্দর্যের অধিকারী একমাত্র নেত্রকোণা জেলা।

