মদনে যুবদল নেতাকে পেটাল ছাত্রদল নেতা মমেকে রেফার্ড,নেত্রকোনার মদনে যুবদল নেতা মৌলা মিয়াকে রাস্তায় মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতা সাইমন আকন্দ লিমনের বিরুদ্ধে।সোমবার (২ এপ্রিল) রাতে মদন-ফতেপুর সড়কের গঙ্গানগড় গ্রামের সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটেছে। সাইমন আকন্দ লিমন মদন উপজেলার সরকারী হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজ শাখার ছাত্রদলের সদস্য সচিব।ভুক্তভোগী যুবদল নেতা মৌলা মিয়া। তিনি উপজেলার তিয়শ্রী ইউনিয়ন শাখা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক থানায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপতালে (মমেক) পাঠানো হয়েছে।

মদনে যুবদল নেতাকে পেটাল ছাত্রদল নেতা মমেকে রেফার্ড
স্থানীয় লোকজন ও উপজেলা বিএনপি নেতাকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৮ এপ্রিল) উপজেলা যুবদলের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ছিলেন আহব্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান আকন্দ হিমন। ভোটের মাধ্যমে মিজানুর রহমান আকন্দ হিমন পরাজিত হয়। ইউনিয়ন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের ভোটে উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। হিমন গ্রুপের ধারণা তিয়শ্রী ইউনিয়ন শাখা যুবদলের সাধারণ
সম্পাদক মৌলা মিয়া ভোট না দেওয়ার কারণে হিমন পরাজিত হয়েছেন। সেই ক্ষোভে মিজানুর রহমান আকন্দ হিমনের চাচাতো ভাই ছাত্রদল নেতা সাইমন আকন্দ লিমন সোমবার রাতে মৌলা মিয়াকে রাস্তায় পেয়ে মারধর করে। ভুক্তভোগী যুবদল নেতা মৌলা মিয়া বলেন,‘যুবদলের সম্মেলনকে কেন্দ্র করেই পরাজিত প্রার্থী মিজানুর রহমানের ভাতিজা লিমন তার লোকজন নিয়ে আমার ওপর হামলা করেছে। বিএপির এক নেতার ঈঙ্গিতেই এমনটা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।’সরকারি হাজী আব্দুল

আজিজ খান ডিগ্রি কলেজ শাখার ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাইমন আকন্দ লিমন জানান,‘মোটরসাইকেল যোগে আমি পরশখিলা থেকে মদন আসছিলাম। পথে মৌলা মিয়ার মোটরসাইকেলের সাথে আমার মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগলে তিনি গালমন্দ শুরু করে। প্রতিবাদ করলে আমার হাতে কামড় মারলে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।’এ ব্যাপারে মিজানুর রহমান আকন্দ হিমন জানান,‘ মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। আমার নির্বাচনের কোন ইস্যু সেখানে নেই। তবুও
একটি পক্ষ আমার নামে বদনাম রটাচ্ছে।মদন উপজেলা যুবদলের সভাপতি গোলাম রাসেল রুবেল জানান,‘তিয়শ্রী ইউনিয়নের যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মৌলা মিয়াকে মারধর করা হয়েছে আমি শুনেছি। যে ঘটনাটি ঘটেছে তা খুবই ন্যাক্কারজন। এ নিয়ে আমরা সিনিয়রদের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিব।’মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ তাওহীদুর রহমান জানান,‘ বিষয়টি আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া
হবে।’

আরও পড়ুন :
১ thought on “মদনে যুবদল নেতাকে পেটাল ছাত্রদল নেতা মমেকে রেফার্ড”